জীবনযাপন

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি হল চুম্বন, জানাচ্ছে গবেষণা

প্রেমের সম্পর্ককে মধুর করতে কত কিনা করেন প্রেমিক-প্রেমিকা। জানেন কি, স্বামী-স্ত্রী কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ককে মজবুত করতে এবং দুজন দুজনের আরো কাছে আসতে সহায়তা করে চুম্বন। শুনতে অবাক লাগলেও এটি সত্যি।

আধুনিক গবেষণা বলছে, চুম্বন যে শুধু প্রেমকে মধুময় করে তাই-ই নয়, স্বাস্থ্যের পক্ষেও দারুণ উপযোগী চুম্বন। কীভাবে? চলুন জেনে নেয়া যাক-

হরমোন

চুম্বনের ফলে মস্তিষ্কে ক্ষরিত হয় অক্সিটোসিন, ডোপামাইন ও সেরোটোনিন হরমোন। যা আসলে শরীরে সুখনুভূতি তৈরি করে। চুম্বনে নিয়ন্ত্রণে থাকে করটিসল যা আদতে একটি স্ট্রেস হরমোন। ফলে নিয়ন্ত্রণে থাকে মানসিক চাপও।

রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল

চুম্বনের ফলে রক্তনালীর সম্প্রসারণ হয়। ফলে স্বাভাবিক থাকে রক্ত সঞ্চালন। যা উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞরা এমনকি এ-ও জানাচ্ছেন যে চুম্বনে নিয়ন্ত্রণে থাকে কোলেস্টেরলের পরিমাণও।

দাঁতের সমস্যা

চুম্বনের ফলে মুখগহ্বরে লালা গ্রন্থির ক্ষরণ বৃদ্ধি পায় অনেকাংশে। এর ফলে দাঁতের আস্তরণ সৃষ্টিকারী পদার্থগুলো জমতে পারে না। পাশাপাশি এর ফলে দন্তগহ্বর তৈরি হতে পারে না।

টানটান মুখমণ্ডল

অবিশ্বাস্য মনে হলেও চুম্বনে প্রতি সেকেন্ডে ঝরে দুই থেকে তিন ক্যালোরি। বৃদ্ধি পায় বিপাক হার। মুখের ৩৪টি মাংস পেশির সংকোচন ও প্রসারণ হয় চুম্বনের সময়, কাজেই চুম্বনের ফলে মুখের অতিরিক্ত মেদ ঝরে যায়। কাজেই শুধু প্রেমের উদ্‌যাপনই নয়। মুখমণ্ডলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেও জুড়ি মেলা ভার চুম্বনের।

Related Articles

Back to top button