জীবনযাপন

বিবাহবিচ্ছেদের প্রধান ৭টি কারণ, জেনেনিন অবশ্যই

বিয়ে সবার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যার মাধ্যমে নারী পুরুষ একত্রে বৈধভাবে মিলিত হয়। স্বপ্ন দেখে সুখী নীড় গড়ে তোলার। সবাই চায় তার বিবাহিত জীবন সুখী হোক।

তবে দুর্ভাগ্যবশত বিয়ের পর নারী-পুরুষ যেমন সংসার শুরু করে, তেমনই শুরুর পর পরও অনেক সময় দেখা দেয় বিচ্ছেদের ঘণ্টাধ্বনি। কেন বিবাহবিচ্ছেদ, কেনই বা সংসার করা সম্ভব হয়ে ওঠে না? চলুন জেনে নেওয়া যাক বিবাহবিচ্ছেদের শীর্ষ ৭ কারণ-

>> দম্পতিদের মধ্যে খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া হওয়া কিংবা মনোমালিন্য খুবই সাধারণ বিষয়। তাই বলে বারবার সঙ্গীকে অসংলগ্ন কথা বলা কিংবা সঙ্গীকে অসম্মান করা বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। এর ফলে অপরজনের মধ্যে ধারণা জন্মায়, সঙ্গীর কাছে বোধ হয় তার কোনো সম্মান নেই!

>> বেশিরভাগ মারামারি, তর্ক ও বিবাহবিচ্ছেদের মূল কারণ হলো ভুল বোঝাবুঝি। অনুমান ও অবিশ্বাস্যের কারণে ঘটতে পারে বিবাহবিচ্ছেদ।

>> বিশ্বাসঘাতকতা করার কারণেও অনেকেরই বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক দাম্পত্য জীবন ধ্বংস করে দেয়। মুহূর্তেই ভেঙে দেয় সাজানো গোছানো সংসার।

>> অ্যালকোহল, ড্রাগে আসক্ত ব্যক্তিরাও সম্পর্ক ও সঙ্গীকে ধরে রাখতে পারেন না। কারণ মেজাজের পরিবর্তন, আচরণ, ঘুমের ধরণ, ক্ষুধা, পারিবারিক দায়িত্ব, বন্ধু ও সংযোগ, অর্থের অপচয় ও ভুলে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যার কারণে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে এমন মানুষদের মধ্যে।

>> অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্খা কিংবা লোভী নারী-পুরুষ অর্থ, ক্ষমতা, সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লোভে তার চেয়ে তিনগুণ বয়সী নারী-পুরুষ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে। একসময় মোহ চলে যায় বা অক্ষম পুরুষ-নারী কিংবা অর্থ চাহিদাপূর্ণ হলে সে আবার নতুনের সন্ধানে বের হয়। এমন সম্পর্ক শেষ হয় বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে।

>> পারিবারিক নির্যাতনের কারণেও একটি সংসার ভেঙে যায়। বিশেষ করে অনেক নারী তার সঙ্গীর কাছ থেকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটান। শুধু নারীরাই নন, পুরুষদের ক্ষেত্রেও অনেক সময় এটি দেখা যায়।

>> কারও দাম্পত্য জীবনে যদি পরিবারের বিভিন্ন সদস্যদের মতামত কিংবা অভিযোগ যুক্ত হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধ বাঁধতে পারে দম্পতির মধ্যে। যেমন- শ্বশুরবাড়ির কোনো সদস্যদের বিরূপ মন্তব্য কিংবা কটাক্ষতার শিকার হয়েও অনেকে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটায়।

Related Articles

Back to top button