ওজন কমানোর সাথে সাথে বিটের জুসের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে, জেনেনিন

বাড়তি ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরণের ক্র্যাশ ডায়েট ফলো করেন অনেকেই।
কেউ আবার নানান জনের নানান কথায় কান দিয়ে খাওয়াদাওয়াই ছেড়ে দেন। দ্রুততম সময়ে বাড়তি ওজন কমানো কখনোই স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

ওজনকে নিয়ন্ত্রণের মাপকাঠিতে আনতে চাইলে প্রয়োজন সঠিক খাদ্য উপাদান গ্রহণ করা। একইসঙ্গে পরিমিত খাদ্যাভাস খুব সহজেই ওজনকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। স্বাস্থ্যকর ও সঠিক খাদ্য উপাদানের মাঝে প্রথমেই বলতে হয় বিট কিংবা বিটরুটের কথা।

ওজন কমাতে বিটরুট কেন উপকারী?
প্রাকৃতিক এই খাদ্য উপাদান থেকে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল ও ভিটামিন পাওয়া যায়। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ দ্রবণীয় আঁশ থাকায় বিট খাওয়ার ফলে পেট অনেকক্ষণ পর্যন্ত ভরা থাকে এবং কোন ক্ষুধাভাব দেখা দেয় না। ফলে খুব সহজেই ওজন কমানো সম্ভব হয়। এদিকে ১০০ মিলিলিটার বিটরুটের জ্যুস থেকে মাত্র ৩৫ ক্যালোরি পাওয়া যায়। ফলে ক্যালোরি মেপে খাওয়ার চিন্তাও থাকে না।

একেবারেই সহজ দুইটি বিটরুটের জ্যুসের রেসিপি যোগ করে দেওয়া হলো। ঘরোয়া কয়েকটি উপাদান দিয়ে যা সহজেই তৈরি করে নেওয়া যাবে যেকোন সময়।

টমেটো ও বিটের জ্যুস
বিটের মতো টমেটোতেও খুব কম ক্যালোরি থাকে। একইভাবে উভয় খাদ্য উপাদানেই প্রচুর পরিমাণে জল উপস্থিত। যে কারণে দুইটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে খুব মজাদার জ্যুস তৈরি করা যায়।

এই জ্যুসটি তৈরি করতে দুই কাপ টুকরো বিট, দেড় কাপ টুকরো টমেটো, ৩ টেবিল চামচ লেবুর রস, পুদিনা পাতা ও স্বাদমতো বিট লবণ প্রয়োজন হবে। সকল উপাদন একসাথে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে টমেটো-বিটের জ্যুস।

আপেল ও বিটের জ্যুস
বিট ও টমেটোর মতোই আপেলেও খব কম ক্যালোরি থাকে। ১০০ গ্রাম আপেল থেকে মাত্র ৫০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। ফলে এই দুইটি উপাদান একত্রে ওজন কমানোর জন্য খুব ভালো একটি জ্যুস তৈরি করে।

এই জ্যুস তৈরিতে প্রয়োজন হবে দুই কাপ টুকরো বিট, এক কাপ টুকরো আপেল, এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া, স্বাদমতো বিট লবণ ও কালো গোলমরিচের গুঁড়া। সকল উপাদান একসাথে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিয়ে পান করতে হবে।

Related Posts

© 2022 Totka24x7 - Theme by WPEnjoy · Powered by WordPress