আপেল সিডার ভিনিগারের এতো গুণ! জেনেনিন বিস্তারিত ভাবে

আপেলের রসে ইস্ট ও ব্যাকটিরিয়া মিশিয়ে প্রস্তুত করা হয় আপেল সিডার ভিনিগার। প্রথমে ইস্ট ফারমেন্টেড হয়ে আপেলের রসকে অ্যালকোহলে পরিণত করে, পরে তা অ্যাসিটিক অ্যাসিড দিয়ে ভিনিগারে পরিণত করা হয়। এতদিন শুধু রান্নাবান্নায় ব্যবহার করা হতো এই ভিনিগার। কিন্তু স্বাস্থ্যকর নানা কারণে একে ডায়েটে রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরাও।

ঘর-গৃহস্থালীর কাজে যেমন এই আপেল সিডার ভিনিগার উপকারী, তেমনই শরীরের নানা অসুখবিসুখেও কাজে আসে এটি। সৌন্দর্যরক্ষায়ও ভালো কাজ দেয় এই ভিনিগার। কিন্তু অ্যাসিডিক হওয়ার কারণে তা দৈনিক খাদ্য তালিকায় রাখার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম পালন করা জরুরি।

দিনে বড় চামচের দু’চামচের বেশি আপেল সিডার খাবেন না, খেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন। এ ছাড়া জলর সঙ্গে মিশিয়ে পাতলা করে খাবেন। মূলত আপেল সিডারের কথা উঠলে অনেকেই কেবল ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণের দিকটাই ভাবেন, তবে এই বিশেষ উপকার ছাড়াও আপেল সিডারের আরও নানা কার্যকর দিক রয়েছে।

এবার সেই উপকারগুলো কী কী তা জানা যাক-

* আপেল সিডার ভিনিগার ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম বলে ডায়রিয়া সমস্যায় বিশেষ উপকারী। এক-দু’ চা চামচ ভিনিগার এক গ্লাস গরম জলর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার মিলবে।

* ডায়াবেটিসের সমস্যায় এই ভিনিগার উপকারী। মূলত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্টের কারণেই রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ে। তাই খাওয়া-দাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে এক গ্লাস জল এক চামচ আপেল সিডার মিশিয়ে খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

* গলা ব্যথার ক্ষেত্রে আধাকাপ উষ্ণ জল দু’চামচ আপেল সিডার ভিনিগার ও মধু মিশিয়ে গারগল করলে আরাম পাবেন অনেকটাই।

* হজমের সমস্যা মেটাতেও এই ভিনিগার খুব কার্যকর। গরম জল এক চামচ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে খেলে বদহজম থেকে মুক্তি মেলে সহজেই।

* শ্যাম্পু করার পর চুল ধুয়ে নিন আপেল সিডার ভিনিগার মেশানো জল দিয়ে। কন্ডিশনারের সমান উপকার পাবেন। আবার চুল নরম হবে। এতে ব্যাকটিরিয়ার থাকার জন্য খুশকির সমস্যাও দূর করে।

* শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে ও ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে আপেল সিডার ভিনিগার খুবই উপকারী।

Related Posts

© 2022 Totka24x7 - Theme by WPEnjoy · Powered by WordPress