হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে এই চায়ের ৫টি বিশেষ উপকারিতা, জেনেনিন

ভিটামিন সি তে ভরপুর আমলকির রয়েছে নানান স্বাস্থ্য উপকারিতা। এটি যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তেমনি চুল ও ত্বকের জন্যও সেরা দাওয়াই। এই ছোট্ট ফলটি কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি রস কিংবা চা বানিয়েও খাওয়া যায়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী আমলকির চা।
হার্ট ভালো রাখার পাশাপাশি আমলকির চা স্বাস্থ্যের অনেক উপকার করে। চলুন জেনে নেয়া যাক আমলকি চায়ের উপকারিতা সম্পর্কে-

হার্ট সুস্থ রাখে:
আমলকি রক্ত ​​সঞ্চালন এবং কোলেস্টেরলের লেভেল ঠিক রাখে, যা হৃদরোগ এড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও রক্ত ​​জমাট বাঁধে না, যার ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।

ফাঙ্গাল ইনফেকশন এবং ব্যাকটেরিয়া:
আমলকি ফাঙ্গাল ইনফেকশন এবং ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়াই করার শক্তি রাখে। এটি আমাদের দেহে উপস্থিত টক্সিনগুলো বের করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে:
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী আমলকির চা। এতে থাকা উপাদানগুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত আমলকি খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ক্রোমিয়ামের একটি দুর্দান্ত উৎস হল আমলকি। এটি ব্লাড প্রেসার এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি:
এই চা পান করলে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও এটি ভাইরাল ফিভারের ক্ষেত্রেও উপকারী।

চোখের জন্য উপকারী:
আমলকির চা চোখের ছানি, বর্ণান্ধতা, ড্রাই আই সিন্ড্রোম বা যারা চোখে কম দেখে তাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও এর ফলে বর্ষায় অ্যালার্জি হওয়ার সমস্যা থাকে না।

আমলকির চা খাওয়ার পাশাপাশি এটি কাঁচা অবস্থায় লবণ দিয়ে খেতে পারবেন। এছাড়াও আমলকির রস, আমলকি গুঁড়া জলের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

আমলকির চা তৈরির পদ্ধতি:
এই চা বানানোর জন্য, একটি প্যানে এক বা দুই কাপ জল দিন। জল ফুটতে শুরু করলে তাতে ১ চামচ আমলিকর গুঁড়া এবং কুচি করা আদা দিন। এর সঙ্গে দুই তিনটা পুদিনার পাতাও দিতে পারেন। এই সব উপকরণ ২ মিনিট ফুটিয়ে নিন। তারপরে নামিয়ে নিন। এবার এটি ছেঁকে নিয়ে চায়ের মতো পান করুন।

Related Posts

© 2022 Totka24x7 - Theme by WPEnjoy · Powered by WordPress