April 14, 2024 | 7:35 PM

চুল পড়া একটি ভয়ঙ্কর সমস্যা। নারীপুরুষ উভয়েরই এই সমস্যা হয়ে থাকে। বিভিন্ন কারণে চুল পড়তে পারে। বংশগত, পরিবেশগত, দুশ্চিন্তা ও পুষ্টিহীনতাসহ নানা কারণে চুল পড়তে পারে। প্রথম দিকে চুল কম পড়লেও আস্তে আস্তে চুল পড়ার হার অনেক বেড়ে যায়। তাই শুরু দিকে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব হলে, চুল পড়া বন্ধ করা সম্ভব। ফিজিওলজিক্যাল এলোপেসিয়ায় সাধারণত প্রতিদিন গড়ে ৫০/১০০টি চুল পড়ে যায়।

এই পড়ার তুলনায় গজানোর পরিমাণ যদি কমে যায় তখন মাথার চুল কমতে শুরু করে। তবে পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে এন্ড্রোজেনিক এলোপেসিয়ায় চুল পড়া সাধারণত বেশি দেখা যায়। ইহা সাধারণত মাথার নির্দিষ্ট কোনো একটি জায়গায় চুল পড়ে যায়। যেমন কপালের দুই সাইড থেকে অথবা মাথার মাঝখান থেকে যাহা সাধারণত এন্ড্রোজেনিক হরমোনের আধিক্যের কারণে হয়ে থাকে। চলুন জানা যাক, চুল ঝরে যাওয়ার কারণ ও তা সমাধানের উপায়।

• চুল পড়ার কারণ:

১. হরমোন: কিছু হরমোন আছে যা চুল পড়াকে ত্বরান্বিত করে। যেমন অ্যানড্রোজনিক, টেস্টোস্টেরন, অ্যান্ড্রোস্ট্রেনডিয়ন, ডিএইচটি হরমোনগুলো সাধারণত পুরুষের বেশি। হেয়ার ফলিকলের ওপর সাধারণত এই হরমোনগুলো কাজ করে থাকে এবং চুল পড়া ত্বরান্বিত করে। এই কারণে পুরুষের চুল বেশি পড়ে।

২. বংশগত: চুল পড়ার অন্যতম একটি কারণ বংশগত। বংশে কারো টাক থাকলে আপনারও টাক হওয়াটা স্বাভাবিক।

৩. চর্মরোগ: একজিমা, সোরায়সিস, ডার্মাটাইটিস ইত্যাদি চর্মরোগের কারণে অথবা মাথায় খুশকির কারণে ও চুল পড়ে যেতে পারে।

৪.স্বাস্থ্যগত সমস্যা: প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল এর অভাবেও চুল পড়তে পারে। অনেকসময় দূরারোগ্য কিছু রোগে আক্রান্ত হলেও প্রচুর চুল পড়ে।

৫. মাদকাসক্তি: অ্যালকোহল, ড্রাগস এসবের আসক্তি আপনার মাথার মূল্যবাণ চুলগুলোকে অসময়ে কেড়ে নিতে পারে। এমনিতেই এসবের কুফল অনেক। স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিও প্রচুর।