এই সময় ‘কিডনি বিনস’ কেন খাবেন?

বাঙালি খাবারে রাজমার পদগুলো বেশ জনপ্রিয়। বাংলায় রাজমা হলেও এর ইংরেজি নাম কিডনি বিনস। দেখতে অনেকটা কিডনির মতো হওয়ায় এর নাম দেয়া হয় কিডনি বিনস। সাদা, ক্রিম, কালো, লাল, বেগুনি, স্পটেড, স্ট্রাইপড এবং মোটলড নানা রকম কিডনি বিনস পাওয়া যায়। রাজমা উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের একটি প্রধান উৎস এবং এর উপকারিতা অনেক।
ইউএসডিএ অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম রাজমায় রয়েছে প্রায় ২৪ গ্রাম প্রোটিন। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, রাজমা প্রচুর প্রোটিন এবং উচ্চ মানের ফাইবারসমৃদ্ধ। তবে একসঙ্গে অনেক নয়, খেতে হবে রয়েসয়ে। রাজমায় প্রচুর প্রোটিন ফ্যাসিওলিন থাকে যাতে কারো কারো অ্যালার্জিও দেখা যায়। যদি একটি খাবারেই বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড চান তবে রাজমা বেশ কার্যকরী। চলুন রাজমার স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো জেনে নিন-

> রাজমা দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ। এটিতে থাকা ফাইবার আপনার পাচনতন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। সেইসঙ্গে অন্ত্রের সমস্যাও কমায় রাজমা। তবে একবারে বেশি খেয়ে ফেলবেন না। এতে গ্যাস বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যাও হতে পারে।

> রাজমায় রয়েছে আয়রন ও ফসফরাস। যা হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে রক্ত তৈরি করতে খনিজের যোগান দেয়। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন কে স্নায়ুতন্ত্রের রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করে।

> কার্বোহাইড্রেটে ভরপুর রাজমা হজমে সহায়তা করে। এটিকম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সম্পন্ন হওয়ায় এটি ডায়াবেটিসের রোগীর জন্য আদর্শ খাদ্য। কার্বোহাইড্রেট থাকলেও তা শরীরের কোনো ক্ষতি করে না।

> ওজন কমাতেও রাজমার ভূমিকা অসামান্য। উচ্চমানের প্রোটিন এবং ফাইবারে ভরা রাজমা। অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা কমায়। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধী স্টার্চ। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

সতর্কতা

> আগে থাকে অন্ত্রের সমস্যায় ভুগে থাকলে রাজমা খাদ্য তালিকায় রাখার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

> একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেলা যাবে না। এতে অ্যালার্জি এবং পেটের সমস্যা হতে পারে।