সকালের জল খাবার সম্পর্কে যে ৫টি ভুল ধারণা

সকালের নাস্তা না খেলেও চলে
সকালের নাস্তা হলো সারাদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন খাবার। সকালের নাস্তাটা অন্য বেলার খাবারের চাইতে তুলনামূলক ভারী হতে হয় এবং কোনো ক্রমেই সকালের নাস্তা বাদ দেয়া উচিত নয়। সকালের নাস্তা না খেলে শরীর, মন ও সার্বিক কাজকর্মের উপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। তাই সকালের নাস্তা অবশ্যই প্রতিদিন খাওয়া উচিত।

সকালে ভারী নাস্তা করলে সারাদিন ক্লান্তি লাগবে
অনেকেরই ধারণা সকালে ভারী নাস্তা করলে সারাদিন ক্লান্তি লাগবে। কিন্তু আসল ব্যাপারটি পুরোই উল্টো। সকালের ভারী নাস্তা সারাদিন কাজ করার শক্তি জোগায়। সকাল বেলা খাওয়ার আগে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ সবচেয়ে কম থাকে। গ্লুকোজ হলো মস্তিষ্কের জ্বালানী। নাস্তা খাওয়ার পর রক্তের গ্লুকোজ স্বাভাবিক হয় এবং মস্তিষ্ক ঠিক মত কাজ করে। তাই প্রতিদিন সকালে ভারী নাস্তা খেলে ক্লান্তি দূর হয় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়।

ক্ষুধা না লাগলে নাস্তা খেতে হবে না
ক্ষুধা না লাগলেও নাস্তা খেতে হবে। সকালে উঠে অনেকেরই সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধা লাগে না। কিন্তু তাই বলে নাস্তা না খেলে চলবে না। ঘুম থেকে উঠার পর একঘন্টার মধ্যেই হালকা কিছু হলেও খান। সেটা হতে পারে একটি আপেল কিংবা বাদামের মাখন লাগানো এক টুকরা রুটি অথবা এক গ্লাস দুধ। পড়ে ক্ষুধা লাগলে ভারী কিছু খেয়ে নিন।

সকালের নাস্তা না খেলে ওজন কমে
ন্যাশনাল ওয়েট লস রেজিস্ট্রির মতে যারা অনেক স্থুলতার থেকে ওজন কমিয়েছে তাদের মধ্যে ৭৮% মানুষই নিয়মিত সকালের নাস্তা খেতো। অন্যান্য গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে সকালের ভারী নাস্তা না খেলে সারাদিন অন্যান্য উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার খাওয়া হয়। ফলে সকালের নাস্তা এড়িয়ে চললে ওজন কমার বদলে উল্টো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

সকালের ভারী নাস্তা বানাতে অনেক সময় প্রয়োজন
সকাল বেলা সবারই কম বেশি তাড়াহুড়া থাকে। কারো অফিসে যাওয়ার তাড়া থাকে আবার কারো স্কুলে যাওয়ার তাড়া থাকে। কিন্তু তাই বলে কি সকালের নাস্তা এড়ানো যায়? সকালের নাস্তার জন্য পুষ্টিকর ভারী নাস্তা বানাতে খুব বেশি ঝামেলা করে লাগে না। প্রতিদিনের নাস্তায় ডিম, দুধ ও রুটি রাখুন। সঙ্গে বাদামের মাখন লাগিয়ে নিতে পারেন। ব্যাস হয়ে গেলো সকালের ভারী নাস্তা।
সকালে ভারী নাস্তা করলে সারাদিন ক্লান্তি লাগবে
অনেকেরই ধারণা সকালে ভারী নাস্তা করলে সারাদিন ক্লান্তি লাগবে। কিন্তু আসল ব্যাপারটি পুরোই উল্টো। সকালের ভারী নাস্তা সারাদিন কাজ করার শক্তি জোগায়। সকাল বেলা খাওয়ার আগে রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ সবচেয়ে কম থাকে। গ্লুকোজ হলো মস্তিষ্কের জ্বালানী। নাস্তা খাওয়ার পর রক্তের গ্লুকোজ স্বাভাবিক হয় এবং মস্তিষ্ক ঠিক মত কাজ করে। তাই প্রতিদিন সকালে ভারী নাস্তা খেলে ক্লান্তি দূর হয় এবং সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়।

ক্ষুধা না লাগলে নাস্তা খেতে হবে না
ক্ষুধা না লাগলেও নাস্তা খেতে হবে। সকালে উঠে অনেকেরই সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধা লাগে না। কিন্তু তাই বলে নাস্তা না খেলে চলবে না। ঘুম থেকে উঠার পর একঘন্টার মধ্যেই হালকা কিছু হলেও খান। সেটা হতে পারে একটি আপেল কিংবা বাদামের মাখন লাগানো এক টুকরা রুটি অথবা এক গ্লাস দুধ। পড়ে ক্ষুধা লাগলে ভারী কিছু খেয়ে নিন।

সকালের নাস্তা না খেলে ওজন কমে
ন্যাশনাল ওয়েট লস রেজিস্ট্রির মতে যারা অনেক স্থুলতার থেকে ওজন কমিয়েছে তাদের মধ্যে ৭৮% মানুষই নিয়মিত সকালের নাস্তা খেতো। অন্যান্য গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে সকালের ভারী নাস্তা না খেলে সারাদিন অন্যান্য উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার খাওয়া হয়। ফলে সকালের নাস্তা এড়িয়ে চললে ওজন কমার বদলে উল্টো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

সকালের ভারী নাস্তা বানাতে অনেক সময় প্রয়োজন
সকাল বেলা সবারই কম বেশি তাড়াহুড়া থাকে। কারো অফিসে যাওয়ার তাড়া থাকে আবার কারো স্কুলে যাওয়ার তাড়া থাকে। কিন্তু তাই বলে কি সকালের নাস্তা এড়ানো যায়? সকালের নাস্তার জন্য পুষ্টিকর ভারী নাস্তা বানাতে খুব বেশি ঝামেলা করে লাগে না। প্রতিদিনের নাস্তায় ডিম, দুধ ও রুটি রাখুন। সঙ্গে বাদামের মাখন লাগিয়ে নিতে পারেন। ব্যাস হয়ে গেলো সকালের ভারী নাস্তা।