যে ৮টি কারণে এড়িয়ে চলবেন অতিরিক্ত চিনি

চিনিকে বর্তমানে এড়িয়ে চলেন অনেকেই। এর পেছনে কারণ হলো খাদ্যে অপ্রয়োজনীয় ক্যালোরি কমানো এবং ডায়াবেটিস থেকে দূরে থাকা। কিন্তু চিনির অপকারিতা কি এখানেই শেষ? না। চিনির আছে আরও মারাত্মক অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য যেগুলো একে করে তুলেছে আধুনিক সভ্যতার সবচাইতে ক্ষতিকর খাদ্য উপাদানের একটি। তাই যতটা সম্ভব কমিয়ে দিন চিনি খাওয়ার পরিমাণ। কারণ হলো-

১) খাবারে অতিরিক্ত চিনি সংযোজনে বেড়ে যায় ফ্রুক্টোজের পরিমানঃ
চিনি হলো অর্ধেক গ্লুকোজ এবং অর্ধেক ফ্রুক্টোজ। গ্লুকোজ শরীরের জন্য অনেক বেশি দরকারি এবং শরীরের সমস্ত কোষেই এর বিপাক ঘটে। গ্লুকোজ না খেলে আমাদের শরীর এটিকে প্রোটিন এবং লিপিড থেকে তৈরি করে নেয়। কিন্তু ফ্রুক্টোজ আমাদের শরীরের জন্য মোটেই জরুরি নয়। শুধুমাত্র লিভারে এটি বিপাক হতে পারে। লিভারে প্রবেশ করার পর বেশিরভাগ ফ্রুক্টোজই পরিণত হয় ফ্যাটে। এর ফলে শরীরের অনেক প্রক্রিয়াই যায় ওলট পালট হয়ে। ঘটতে পারে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ।

২) চিনিতে নেই কোনও ভিটামিন বা খনিজঃ
ক্যালোরি ছাড়া আর কিছু নেই চিনিতে। প্রচুর চিনিযুক্ত খাবার যেমন পেস্ট্রি, কোমল পানীয় এবং ক্যান্ডি বার জাতীয় খাবারগুলোতে কোনও রকম পুষ্টিকর উপাদান থাকে না। ফলে শরীরে তৈরি হয় পুষ্টির ঘাটতি।

৩) আপনার শরীরে কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারয়েডের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে চিনিঃ
লিভারে তৈরি হওয়া ফ্যাট লিভার থেকে বের হয়ে আসে VLDL কণা হিসেবে। এই কণাগুলো ধারণ করে প্রচুর পরিমানে কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারয়েড। চিনিতে থাকা ফ্রুক্টোজের কারণে এর পরিমাণ রক্তে বেড়ে যায় এমনকি ক্ষতিকর পর্যায়ে পৌঁছে দেয় ১০ সপ্তাহের মাঝেই। এছাড়াও বাড়িয়ে দেয় পেটে জমে থাকা মেদ।

৪) তৈরি করে ইনসুলিন রেসিস্টেন্সঃ
ইনসুলিনের কাজ হলো রক্ত থেকে গ্লুকোজ বের করে দেহ কোষে পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু চিনি খাওয়ার ফলে শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনের এই ক্রিয়া রোধ করতে সক্ষম হয়ে যায় এবং এর ফলে রক্তে থেকে যায় অতিরিক্ত গ্লুকোজ যা হতে পারে শরীরের জন্য বিষাক্ত। এই গ্লুকোজ কমানোর জন্যে লিভার থেকে আরও বেশি ইনসুলিন নিঃসরণ হতে থাকে। ইনসুলিনের আরও একটি কাজ হলো রক্ত থেকে ফ্যাট নিয়ে যাওয়া দেহকোষে। তাই রক্তে ইনসুলিন বেশি হওয়া মানে হল ওবেসিটি বা মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে অগ্ন্যাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইনসুলিন তৈরির ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এভাবেই সৃষ্টি হয় টাইপ টু ডায়াবেটিস যাতে বর্তমানে আক্রান্ত পৃথিবীর ৩০০ মিলিওন মানুষ।

৫) বাড়িয়ে দেয় অসুখ-বিসুখের সম্ভাবনাঃ
দেখা গেছে, অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার সাথে সম্পর্কিত আছে অনেক অসুখ। যেমন ওবেসিটি, ডায়াবেটিস এবং বিভিন্ন হৃদরোগ।

৬) চিনি দেয় না যথেষ্ট পরিতৃপ্তিঃ
একটি গবেষণায় মানুষকে গ্লুকোজ-যুক্ত পানীয় এবং ফ্রুক্টোজ-যুক্ত পানীয় খেতে দেওয়া হয়। গবেষণায় দেখা যায়, যারা গ্লুকোজ-যুক্ত পানীয় খান তাদের এসেছে পরিতৃপ্তি কিন্তু যারা ফ্রুক্টোজ-যুক্ত পানীয় খেলেন তাদের পরিতৃপ্তি আসেনি বরং তারা রয়ে যান ক্ষুধার্ত। এ পরীক্ষাটি থেকে দেখা যায় গ্লুকোজের বদলে ফ্রুক্টোজ গ্রহনের ফলে বাড়তে পারে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহনের প্রবণতা।

৭) চিনি তৈরি করতে পারে আসক্তিঃ
চিনি খাবার পর মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন নিঃসৃত হয়ে আমাদেরকে আনন্দের অনুভূতি দেয়। এই প্রতিক্রিয়ার সাথে মিল আছে কোকেইন গ্রহণের প্রতিক্রিয়ার। গবেষণায় দেখা গেছে এভাবে চিনির প্রতি আসক্তি তৈরি হওয়াটা খুবই সম্ভব।

৮) লেপটিন হরমোনের কাজে বাধা দেয় চিনিঃ
লেপটিন হরমোনটি নিঃসৃত হয় আমাদের ফ্যাট যুক্ত কোষগুলো থেকে। শরীরে যত বেশি ফ্যাট তত বেশি লেপটিন নিঃসৃত হওয়ার কথা। এটার মাধ্যমে মস্তিষ্কে একটি সংকেত যায় যেটি আমাদের খাওয়ার পরিমাণ কমাতে নির্দেশ দেয়। এছাড়াও আমাদের শরীরে শক্তির ব্যাবহার বাড়াতে সাহায্য করে এটি। ফ্রুক্টোজ লেপটিনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় শরীরে। ফলে তৈরি হয় ওবেসিটি।

২) চিনিতে নেই কোনও ভিটামিন বা খনিজঃ

ক্যালোরি ছাড়া আর কিছু নেই চিনিতে। প্রচুর চিনিযুক্ত খাবার যেমন পেস্ট্রি, কোমল পানীয় এবং ক্যান্ডি বার জাতীয় খাবারগুলোতে কোনও রকম পুষ্টিকর উপাদান থাকে না। ফলে শরীরে তৈরি হয় পুষ্টির ঘাটতি।

৩) আপনার শরীরে কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারয়েডের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে চিনিঃ
লিভারে তৈরি হওয়া ফ্যাট লিভার থেকে বের হয়ে আসে VLDL কণা হিসেবে। এই কণাগুলো ধারণ করে প্রচুর পরিমানে কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারয়েড। চিনিতে থাকা ফ্রুক্টোজের কারণে এর পরিমাণ রক্তে বেড়ে যায় এমনকি ক্ষতিকর পর্যায়ে পৌঁছে দেয় ১০ সপ্তাহের মাঝেই। এছাড়াও বাড়িয়ে দেয় পেটে জমে থাকা মেদ।

৪) তৈরি করে ইনসুলিন রেসিস্টেন্সঃ
ইনসুলিনের কাজ হলো রক্ত থেকে গ্লুকোজ বের করে দেহ কোষে পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু চিনি খাওয়ার ফলে শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনের এই ক্রিয়া রোধ করতে সক্ষম হয়ে যায় এবং এর ফলে রক্তে থেকে যায় অতিরিক্ত গ্লুকোজ যা হতে পারে শরীরের জন্য বিষাক্ত। এই গ্লুকোজ কমানোর জন্যে লিভার থেকে আরও বেশি ইনসুলিন নিঃসরণ হতে থাকে। ইনসুলিনের আরও একটি কাজ হলো রক্ত থেকে ফ্যাট নিয়ে যাওয়া দেহকোষে। তাই রক্তে ইনসুলিন বেশি হওয়া মানে হল ওবেসিটি বা মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে অগ্ন্যাশয় ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইনসুলিন তৈরির ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এভাবেই সৃষ্টি হয় টাইপ টু ডায়াবেটিস যাতে বর্তমানে আক্রান্ত পৃথিবীর ৩০০ মিলিওন মানুষ।

৫) বাড়িয়ে দেয় অসুখ-বিসুখের সম্ভাবনাঃ

দেখা গেছে, অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার সাথে সম্পর্কিত আছে অনেক অসুখ। যেমন ওবেসিটি, ডায়াবেটিস এবং বিভিন্ন হৃদরোগ।

৬) চিনি দেয় না যথেষ্ট পরিতৃপ্তিঃ
একটি গবেষণায় মানুষকে গ্লুকোজ-যুক্ত পানীয় এবং ফ্রুক্টোজ-যুক্ত পানীয় খেতে দেওয়া হয়। গবেষণায় দেখা যায়, যারা গ্লুকোজ-যুক্ত পানীয় খান তাদের এসেছে পরিতৃপ্তি কিন্তু যারা ফ্রুক্টোজ-যুক্ত পানীয় খেলেন তাদের পরিতৃপ্তি আসেনি বরং তারা রয়ে যান ক্ষুধার্ত। এ পরীক্ষাটি থেকে দেখা যায় গ্লুকোজের বদলে ফ্রুক্টোজ গ্রহনের ফলে বাড়তে পারে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহনের প্রবণতা।

৭) চিনি তৈরি করতে পারে আসক্তিঃ
চিনি খাবার পর মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন নিঃসৃত হয়ে আমাদেরকে আনন্দের অনুভূতি দেয়। এই প্রতিক্রিয়ার সাথে মিল আছে কোকেইন গ্রহণের প্রতিক্রিয়ার। গবেষণায় দেখা গেছে এভাবে চিনির প্রতি আসক্তি তৈরি হওয়াটা খুবই সম্ভব।

৮) লেপটিন হরমোনের কাজে বাধা দেয় চিনিঃ
লেপটিন হরমোনটি নিঃসৃত হয় আমাদের ফ্যাট যুক্ত কোষগুলো থেকে। শরীরে যত বেশি ফ্যাট তত বেশি লেপটিন নিঃসৃত হওয়ার কথা। এটার মাধ্যমে মস্তিষ্কে একটি সংকেত যায় যেটি আমাদের খাওয়ার পরিমাণ কমাতে নির্দেশ দেয়। এছাড়াও আমাদের শরীরে শক্তির ব্যাবহার বাড়াতে সাহায্য করে এটি। ফ্রুক্টোজ লেপটিনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় শরীরে। ফলে তৈরি হয় ওবেসিটি।