এই ৪টি লক্ষণ বলে দেবে আপনি অ্যাসিড রিফ্লাক্সে ভুগছেন এবং তা প্রতিরোধের উপায়….

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ এতে ভোগেন এবং অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেও জানেন না তিনি এতে আক্রান্ত। গবেষকদের মতে, এটি অ্যাজমার প্রকোপ বাড়িয়ে দেয় এবং অধিকাংশ হাঁপানি রোগী GERDতেও আক্রান্ত।আপনার জন্য এমন কয়েকটি লক্ষণ নিয়ে হাজির হয়েছি যা অ্যাসিড রিফ্লাক্স শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।
1.অ্যাসিড গলা কিংবা মুখে চলে আসা
যদি হঠাৎ হঠাৎ মুখ তিতা লাগে এবং কখনো কখনো বমি বমি ভাব সৃষ্টি হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে পাকস্থলীর অ্যাসিড আপনার মুখে এবং গলায় চলে আসতে শুরু করেছে। এই সমস্যা যেকোনো সময় হতে পারে, তবে রাতে এর প্রকোপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে গলায় বা মুখে অ্যাসিড চলে আসায় আপনার ঘুম ভেঙ্গে যেতে পারে।
2.বুক জ্বালাপোড়া
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি লোক বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যায় ভুগলেও তাদের মধ্যে খুব অল্প মানুষই জানেন তিনি অ্যাসিড রিফ্লাক্সে আক্রান্ত। GERD এর অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলে বুক জ্বালাপোড়া। সাধারণত খাওয়ার পর বুকের মাঝ বরাবর নিচের অংশে এই জ্বালাপোড়া সৃষ্টি হয়। খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়লে এই সমস্যা প্রকট রূপ ধারণ করে।
3.বদ হজম
যখন অ্যাসিড রিফ্লাক্স হয় তখন পাকস্থলীতেও অস্বস্তি দেখা দেয়। যেমন, খাওয়ার পর বমি বমি ভাব, উপর পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, গন্ধযুক্ত ঢেঁকুর তোলা ইত্যাদি হয়ে থাকে। অনেক সময় সঠিক সময় খিদে পায় না, কারণ আপনার পেট ফেঁপে আছে।
4.কাশি হওয়া
কাশি অ্যাসিড রিফ্লাক্সের খুব প্রচলিত কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু ২৫-৪০% ক্ষেত্রে রোগীরা দীর্ঘ দিন ধরে কারণ ছাড়া কাশির সমস্যা নিয়ে আসেন।
উপরের সমস্যাগুলো ছাড়াও আরো কিছু অপ্রচলিত সমস্যা যেমন, খাবার খাওয়ার সময় গলা ব্যথা, অতিরিক্ত লালা হওয়া, ওজন কমে যাওয়া, গলা জ্বলা, মুখে দুর্গন্ধ, মুখ শুকিয়ে থাকা এবং বুক ব্যথার সমস্যাও দেখা দেয়।
প্রথমত আপনার জীবন যাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে। তাই আপনাকে নিচের নিয়মগুলো মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হলো।
১. অবশ্যই ছোট ছোট লোকমায় খাবেন।
২. তিন বেলার পরিবর্তে দিনে এক বার বেশি করে খাওয়ার পর সারাদিন কয়েক ভাগে খাবার খেতে পারেন।
৩. যদি প্রয়োজন হয় ওজন কমাবেন।
৪. খেয়েই শুয়ে পড়বেন না অথবা ঘুমতে যাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা আগে খাবার খাবেন।