জীবনযাপন

লাউয়ের খোসায় নিমিষেই দূর হবে আপনার বিরক্তিকর ব্রণ, জেনেনিন কিভাবে

লাউ এমন একটি সবজি যা সারা বছরই পাওয়া যায়। তবে শীতে এই সবজিটির কদর বেড়ে যায় বহুগুণ। লাউ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এটি আমাদের শরীর ঠাণ্ডা রাখার পাশাপাশি পেটের সমস্যা দূর করতেও সহায়তা করে। তবে লাউয়ের খোসাও ফেলনা নয়। উপকারিতা রয়েছে এই খোসারও।

বিভিন্ন পদ্ধতিতে লাউয়ের খোসা খাওয়া হয়। যা খুব সুস্বাদু। তবে বহু এলাকাতেই লাউয়ের খোসা ফেলে দেওয়া হয়। অথচ ফেলনা এই অংশটুকুও ব্যবহার করা যেতে পারে ত্বকের যত্নে। লাউয়ের খোসায় থাকা পুষ্টিগুণ সরাসরি ত্বকের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে করে ত্বকজনিত সমস্যা কমে আসে দ্রুত। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ত্বকের পরিচর্যায় লাউয়ের খোসা কীভাবে ব্যবহার করবেন-

লাউয়ের খোসা ও গোলাপ জল

ব্রণের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে, এই উপদ্রবের হাত থেকে সহজে নিস্তার পাওয়া যাবে উপকারী লাউয়ের খোসা ব্যবহারে। এর জন্য প্রথমেই লাউয়ের খোসা রোদে তাপে শুকিয়ে এরপর বেটে অথবা ব্লেন্ড করে নিতে হবে। পরবর্তীতে এতে গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ত্বকের আক্রান্ত স্থানে পেস্টটির প্রলেপ সমানভাবে অ্যাপ্লাই করতে হবে। অন্তত ২০-৩০ মিনিট অপেক্ষা করে এরপর মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এ উপায়ে লাউয়ের খোসা ব্যবহারে ব্রণের সমস্যা কমার পাশাপাশি ব্রণের দাগও দূর হবে।

লাউয়ের খোসা ও টক দই

ত্বকের রোদে পুড়ে যাওয়া ভাব বা ট্যান দূর করতে চাইলে সহজ সমাধান মিলবে লাউয়ের খোসা ব্যবহারে। এর জন্য লাউয়ের খোসা ব্লেন্ড করে এতে সমপরিমাণ টক দই মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি রোদে পোড়াভাব যুক্ত স্থানে ম্যাসাজ করে শুকিয়ে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ঠান্ডা জলে ত্বক ধুয়ে নিতে হবে।

লাউয়ের খোসা ও চন্দন গুঁড়া

নিষ্প্রাণ ত্বকের নির্জীবতা দূর করতে লাউয়ের খোসা ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে থাকা আঁশ ও ভিটামিন সরাসরি ত্বকের উপর উপকারি প্রভাব বিস্তার করবে। লাউয়ের খোসার ফেসপ্যাক তৈরিতে প্রথম ধাপে খোসা ভালো করে বেটে অথবা ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এরপর এতে চন্দন গুঁড়া মিশিয়ে পুরো মুখের ত্বকে সমানভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। ম্যাসাজ শেষে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম জলে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই নিয়মে লাউয়ের খোসা ব্যবহারে ত্বক তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরে পাবে।

Related Articles

Back to top button