ভুলেও শিশুদের সামনে যে কাজগুলো কখনও করবেন না, জেনেনিন বিস্তারিত

Written by News Desk

Published on:

পরিবার হচ্ছে একটি শিশুর সবচেয়ে বড় শেখার জায়গা। ছোট থেকেই একটি শিশু তার মা-বাবাকে সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করে। মা-বাবা যা করেন, সন্তানরাও তাই শেখে। এছাড়া মা-বাবা ছাড়াও পরিবারের অন্যান্য বড়দের আচরণের ছাপও ছোটদের মধ্যে পড়ে।
তাই পরিবারের বড় সদস্যদের একটি বিষয় খুব খেয়াল রাখতে হবে। আর তা হচ্ছে নিজেদের আচরণ। এমন কিছু কাজ কিংবা আচরণ আছে, যা শিশুদের সামনে মোটেও করা যাবে না। কারণ এগুলো শিশুদের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক এই সম্পর্কে বিস্তারিত-

ভদ্রতা বজায় রাখা

শিশুরা আশপাশে থাকলে স্বামী-স্ত্রীর ভদ্রতা বজায় রাখতে হবে। তাদের সামনে এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা তাদের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। সবসময় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং ভালো আচরণ করতে হবে।

চিৎকার না করা

রেগে গেলে বা খুব বিরক্তের সময় আমরা চিৎকার চেচামেচি করি। যেটির প্রভাব শিশুদের ওপর পড়ে। এমন পরিস্থিতি আসলে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর যদি শিশুদের সামনে এমনটি করা হয়, তাহলে তাদের মনে হবে যে এমনটি করা ঠিক কাজ।

বাজে মন্তব্য না করা

কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে শিশুদের সামনে বাজে মন্তব্য করা যাবে না। কারও গায়ের রং, রূপ, শরীর বা খারাপ গুণাবলি নিয়ে মন্তব্য করা যাবে না। এটি করলে তারাও এই অভ্যাস পেয়ে বসবে।

ফোন ও টিভির ব্যবহার কম করা

শিশুরা যদি সবসময় মা-বাবাকে টিভি বা ফোনে ব্যস্ত থাকতে দেখে, তাহলে সেও তাদের মতোই একইভাবে সময় কাটানো শিখবে। তাই শিশুদের সময় দিতে হবে বেশি এবং তাদের সামনে টিভি ও ফোনের পেছনে সময় যতটা সম্ভব কম ব্যয় করতে হবে।

কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার নয়

মা-বাবা তাদের পরিবারের অন্য কোনো সদস্য, প্রতিবেশী বা বন্ধুর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে থাকলে, শিশুদের ওপর সেটির বাজে প্রভাব পড়বে। কারও সঙ্গে মতের অমিল হলে বা কাউকে অপছন্দ করলেও শিশুদের সামনে তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করা যাবে না। সেটি করলে শিশুরাও সেই ব্যক্তিকে কোনো সময় অপমান করতে পারে বা খারাপ ব্যবহার করতে পারে।

খাবার নষ্ট নয়

জীবনে খাবারের গুরুত্ব কতটা তা শিশুদের বোঝাতে হবে, তাদের কাছে খাওয়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে হবে। তাই তাদের সামনে কখনো খাবার অপচয় করা যাবে না। তাদের এটা বোঝাতে হবে যে খাবার নষ্ট করা খুব খারাপ অভ্যাস।

Related News