রথযাত্রার ইতিহাস নিয়ে কিছু কথা, যা হয়তো আপনার অজানা!

More articles

রথযাত্রার ইতিহাস টা হয়তো অনেকের অজানা, স্কন্দ পুরানে আমরা পাই যে ইন্দ্রদ্যম্ন নামে এক রাজা ছিলেন উত্কল রাজ্যে (বর্তমানে যা উড়িষ্যা)। তিনি তিনি ছিলেন একজন পরম ভক্ত। একদিন স্বপ্নাদিষ্ট হন একটি মন্দির নির্মানের জন্যে ।

পরে দেবর্ষী নারদ এসে জানন স্বয়ং ব্রহ্মার ও তাই ইচ্ছা, তিনি নিজে সেটা উদ্বোধন করবেন। এভাবে কাজ হল এবং নারদ বললেন বহ্মাকে আপনি নিমন্ত্রন করুন। পরে রাজা ব্রহ্মলোকে গেলেন এবং নিমন্ত্রন করলেন । কিন্তু ব্রহ্ম লোকের সময় এর সাথে তো পৃথিবীর মিল নাই । পৃথীবিতে কয়েক শত বছর পার হয়ে গেছে । ফিরে এসে রাজা দেখলেন  তাকে কেউ চেনে না । যা হোক তিনি আবার সব করলেন । দৈবভাবে রাজা জানতে পারলেন সমুদ্র সৈকতে একটি নিম কাঠ ভেষে আসবে , সেটা দিয়েই হবে তৈরি দেব বিগ্রহ ।

পরের দিন পাওয়া গেল সেই নিম কাঠের গুল বা দারুব্রহ্ম । সেটাকে নিয়ে আসা হল প্রাসাদে । কিভাবে মূতি তৈরি হবে এই চিন্তা হচ্ছে যখন , তখন একজন অজ্ঞাত পরিচয়  লোক এসে বললেন যে তার নাম বাসুদেব মহারানা তিনি বিগ্রহ তৈরি করবেন । কিন্তু নিভৃতে তৈরি করবেন ,তৈরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিরক্ত করা যাবে না মন্দিরে যাওয়া ও যাবে না ।

এদিকে মূর্তি তৈরি শুরুর কিছু দিন পর রাজা কৌতুহল সংবরন করতে না পেরে মন্দিরে যান এবং দেখেন কেউ নেই ভিতরে আর আমরা যে রূপে এখন জগন্নাথ দেব কে দেখি সেই মূর্তিটি পড়ে রয়েছে । পরে ঐ ভাবেই স্থাপিত হয় মূর্তি । ইন্দ্রদুম্ন রাজা জগন্নাথ দেবের মূর্তিতেই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ।

পরবর্তিতে শ্রীকৃষ্ণ এবং জগনাথ দেব একই সত্ত্বা চিন্তা করে একই আদলে তার পাশে ভাই বললাম এবং আদরের বোন সুভদ্রার মূর্তি স্থাপন করা হয় । আমাদের এখানে এক রথ যাত্রা হলেও পুরিতে তিনটি রথে হয় । প্রথমে বলরাম তার পর সুভদ্রা এবং শেষে জগন্নাথ । ১১৯৯ খ্রীষ্টাব্দে রাজা অনঙ্গভীমদেব তিন রথের রথ যাত্রা প্রচলন করেন ।

Latest