নিজের পিঠে গুলি খেয়ে আমাদের নেতাজিকে বাঁচিয়েছিলেন এই মানুষটি, দেখেনিন তাকে

More articles

টোটকা24×7 ডেস্ক: বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যু তথ্য যতবারই উঠেছে ততোবারই সেটা খারিজ করে দিয়েছেন তিনি। 1944 সালে নেতাজি যখন মায়ানমারে তখন তাকে বাঁচাতে গুলি খেয়ে ছিলেন তিনি নেতাজী সুভাষ চন্দ্রের বিশ্বস্ত দেহরক্ষী বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা কর্নেল নিজামউদ্দিন। তিনি উত্তরপ্রদেশের সরকারের তৈরি জনতাকে নেতাজি নিয়ে তদন্তের সাক্ষী ছিলেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন 1947 সালের কুড়ি আগস্ট নেতাজি কে শেষবার বার্মার চিটাং নদীতে নৌকা তে তুলে দেন তিনি এরপর আর কখনো তার সঙ্গে দেখা হয়নি। 1942 সালের আজামগড় থেকে আমি সিঙ্গাপুর চলে যান তিনি এবং ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। এরপর নেতাজির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে হয়ে যুক্ত হোন আজাদহিন্দ ফৌজ এর সঙ্গে।

2014 সালে ভোটের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদী বারানসি এলে তার সঙ্গে দেখা করেলছিলেন। গতবছর নেতাজির এই বিশ্বস্ত দেহরক্ষী কর্নেল নিজামুদ্দিন প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল 116 বছর উত্তরপ্রদেশের আজম গড় এলাকার ঢাকুয়া গ্রামে নিজের বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন তিনি। এতো বছর লোক চক্ষুর আড়ালে ছিলেন নিজামুদ্দিন গতবছর ব্যাংক একাউন্ট খুলতে যাওয়ার সময় তার নাম নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে।

1943 সালে বার্মার জঙ্গলে নেতাজি কে বাঁচাতে গুলি খেয়ে ছিলেন ।তিনি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান” জঙ্গলের মধ্যে হাটছিলাম হঠাৎ ঝোপের আড়ালে বন্দুকের আওয়াজ গর্জে উঠলো আমি ঝাপ দিলাম নেতাজী সামনে। তিনটে বুলেট পিঠে লাগলো। জ্ঞান ফিরতে দেখি নেতাজি পাশে বসে।” নিজাম উদ্দিন নামটি নেতাজি রাখা নেতাজি যাওয়ার সময় রেজিমেন্ট এর দায়িত্ব দিয়েছিলেন তাকে তার দেওয়া সেই দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করে গেছেন। এরকম একজন ব্যক্তিত্ব কি নেতাজির মত অমর হয়ে থাকবেন মানুষের মনে।

Latest