জীবনযাপন

জেনেনিন, যে কারণে আপনি ঘুমের মধ্যে শারীরিক মিলনের স্বপ্ন দেখে থাকেন

ঘুমের মধ্যে মানুষ অনেকরকম স্বপ্নই দেখে থাকেন। এসব স্বপ্ন ভালো-মন্দ মিলিয়েই হয়ে থাকে। কিছু কিছু স্বপ্ন ঘুম ভাঙ্গার পরও মনে থাকে, আবার কিছু স্বপ্ন হাজার চেষ্টা করেও মনে করা সম্ভব হয় না।
তবে ঘুমের মধ্যে আপনি কি এমন স্বপ্ন দেখেন, যা চরম সুখের হয়? স্বপ্ন দেখার সময় কি নানা রকমের যৌন ক্রিয়াকলাপের সাক্ষীও হন? কেন দেখেন এমন স্বপ্ন, জানেন? যৌনতা বা যৌনসঙ্গম নিয়ে ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখে থাকলে কী করবেন?

মনোবিদদের মতে, অবচেতন মনে মানুষ যা ভাবে বা চায় সেটাই অনেক সময় স্বপ্নে দেখতে পায়। মানুষ আসলে যেরকম যৌনজীবন চায় সে রকম জীবন না পেলে সেগুলো স্বপ্নের আকারে দেখা দেয়। আর এটা কোনো অসুখ নয়। স্বাভাবিক ঘটনা। যদিও কোনো কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়। তাই অস্বাভাবিক যৌনতা নিয়ে অতিরিক্ত স্বপ্ন দেখলে মনোবিদের পরামর্শ নেয়া উচিত।

মনোবিদদের দাবি, অনেকেই এই রকম স্বপ্ন দেখেন। তবে কিছু স্বপ্ন আছে সেগুলো সাধারণ। তবে সেগুলো দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িতও বটে। জড়িত থাকে মানুষের অপূর্ণ কামনা বাসনা বা যৌনতার সঙ্গে। আর সেটা হয় স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে।

সাধারণত যেসব মানুষের যৌন জীবনে অপূর্ণতা থাকে তারা এই ধরনের স্বপ্ন বেশি দেখেন। শরীরের কামনা রয়েছে অথচ তা পূরণ হচ্ছে না। ফলে তা স্বপ্নে দেখা দিচ্ছে বারবার। এক্ষেত্রে মনোবিদরা বলেন যে শরীরের কামনা দমিয়ে রাখবেন না। কাজের যত ব্যস্ততাই থাকুন চেষ্টা করুন নিয়ম করে সঙ্গীর সঙ্গে যৌনমিলন করার। শরীরের চাহিদা পূরণ হলে স্বপ্ন আপনা থেকে আসা বন্ধ হযে যাবে।

যৌন সম্পর্কের সময় শারীরিক বা মানসিক নিগ্রহ করা বা BDSM-র স্বপ্নও দেখেন অনেকে। যাকে হিংসাত্মক যৌনতাও বলা যেতে পারে। এই যৌনতায় কেউ অত্যাচারী হতে পছন্দ করেন কেউ আবার পছন্দ করেন অত্যাচার সহ্য করতে। সন্তানের প্রতি উদাসীন অভিভাবকদের সন্তানদেরই এধরনের স্বপ্ন বেশি আসে। একা এবং অবহেলিত থাকতে থাকতে এদের মানসিক চরিত্র পরিবর্তন হতে থাকে। সঙ্গীকে আরো বেশি আঁকড়ে ধরতে চান। সঙ্গীর ছেড়ে চলে যাওয়ার ভয়ও থাকে তাদের। এমনিতে স্বাভাবিক হলেও যৌনতার ক্ষেত্রে সঙ্গীর উপর জোর খাটাতে ভালোবাসেন তারা। বাস্তবে তা করতে না পারলে স্বপ্নে সেই সাধ পূরণ করে নেন।

চিকিৎসকদের মতে এটি কোনো অস্বাভাবিক কামনা নয়। এটি একান্ত ব্যক্তিগত পছন্দ। সঙ্গী রাজি থাকলে BDSM করাই যায়। কিন্তু তা বলে কারো প্রতি জোর খাটানো অন্যায়। প্রয়োজনে থেরাপিস্টের পরামর্শ নিতে হবে।

Related Articles

Back to top button