‘ আমার ছেলেটা মরে গেল, ওর কি দোষ’? সদ্যজাত শিশুর মৃত দেহ বুকে ধরে বাবার আর্তনাদ।

More articles

টোটকা24×7 নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসকদের কর্মবিরতির মাঝে জন্ম নিয়ে পৃথিবীতে থাকতে পারলনা একটি নিষ্পাপ শিশু। চিকিৎসকদের কর্মবিরতি শেষ হল না কিন্তু মাত্র তিন দিনেই জীবন শেষ হয়ে গেলো মধ্যমগ্রামের গঙ্গানগর কাঁটাখালের বাসিন্দা ঝুম্পা কর্মকার মল্লিকের গর্ভ থেকে জন্ম নেয়া সদ্য জাত একটি পুত্র সন্তান। গত ১০ জুন মধ্যমগ্রামের গঙ্গানগর কাঁটাখালের বাসিন্দা ঝুম্পা কর্মকার মল্লিক ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। পরের দিন তার পুত্রসন্তান জন্ম নেয়।

ঝুম্পার স্বামী অভিজিৎ মল্লিক জানান, জন্মের পরে সুস্থ ছিল শিশুটি। পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় সাগর দত্ত হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, তাকে ভেন্টিলেশনে দিতে হবে। কিন্তু কামারহাটির ওই হাসপাতালের এসএনসিইউএ সেই সুবিধা না-থাকায় অভিজিৎকে অন্যত্র যোগাযোগ করতে বলা হয়। এরপরই অভিজিৎ তার সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে ছোটে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ, নীলরতন সরকার, আরজিকর হাসপাতালে গেলেও পুলিশ তাকে ভিতরেই ঢুকতে দেয়নি। চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলছে বলে ফিরিয়ে দেয়। তবে বিধানচন্দ্র রায় শিশু হাসপাতাল এবং ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেলথ-এ অভিজিতকে ঢুকতে দেওয়া হলেও ভেন্টিলেটর পাওয়া যায়নি। অবশেষে আজ সকালে মৃত্যু হয় বাচ্চাটির। সাদা কাপড়ে মোড়া সন্তানকে কোলে আঁকড়ে হাসপাতাল থেকে বেরোনোর সময় কান্নায় ভেঙে পড়া বাবা বললেন, ‘কর্মবিরতির জন্য আমার বাচ্চাটা মরে গেল। এতগুলো হাসপাতালে গেলাম, কোথাও কিছু হল না। ওর কী দোষ, বলতে পারেন।’

Latest