টিকটকে প্রবল আসক্তি স্ত্রীর, স্বামীর কাছে বকুনির জেরে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা স্ত্রীর

More articles

টোটকা24×7 নিউজ ডেস্ক: টিকটক খেলাতে মত্ত ছিলেন স্ত্রী৷এতটাই প্রবল ছিল সে মত্ততি যে সন্তানদের অবহেলা করতে শুরু করেন তিনি৷ স্বামীর কাছে বকুনি ও খান এজন্য৷ আর তারপর এই ‘অপমানে’ সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হয় স্ত্রী৷ কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করে৷ এমনকি আসক্তি এতটাই প্রবল যে কীটনাশক খাওয়ার ঘটনাটিও তিনি ভিডিও রেকর্ডিং করে রেখেছিলেন৷ মৃত্যুর সময় স্বামীকে বলেন সন্তানদের খেয়াল রাখতে৷অথচ তার ই মেয়ে আহত হলেও তার হুশ ছিল না টিকটকে বিজি ছিলেন তিনি ।

টিকটকের অ্যাপের কথা বন্ধুদের কাছ থেকে জানতে পারেন অনীতা৷ তারপর নিজে সেই অ্যাপের ব্যবহার করতে থাকেন ।টিকটকে আসক্তি একসময় এতটাই বেড়ে যায় যে খাওয়া দাওয়া কাজ কর্ম ঘর সংসার সন্তান সব ভুলে মোবাইলে মগ্ন থাকতেন অনীতা৷ অনীতারএই অবস্থা দেখে চিন্তিত আত্মীয় স্বজন বিদেশে থাকা তার স্বামীকে সবটা জানায়।বকা খেয়ে অনীতার আসক্তি কমার বদলে আর ও বেড়ে যায়।এমনই একদিন টিকটকে ব্যস্ত থাকার সময় খেলতে গিয়ে গুরুতর আহত হন অনীতার মেয়ে৷ বাড়ির লোকেরা ছুটে মেয়েটিকে বাঁচায়৷ মেয়ের এই অবস্থা দেখে হুঁশ ফেরে অনীতার৷

তখন সে প্রথম বুঝতে পারে যে টিকটকের নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে সে।এরপর বাড়ির লোকেরা আরও একবার স্বামীকে ফোন করে সব জানায়৷ রাগের মাথায় স্ত্রীকে ফোন করে তুমুল বকা দেন স্বামী৷ স্বামীর বকা খেয়ে আত্মহত্যা করেন অনীতা। ঘরে থাকা কীটনাশক খেয়ে ৷ তার আগে অবশ্য মোবাইলে ভিডিও রেকডিং চালু করেছিলেন তিনি ।পরে স্থানীয় হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা অনীতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷গোটা ঘটনায় বাকরুদ্ধ পরিবার অনিতার টিকটক আসক্তিকেই দুষেছেন এজন্য।ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর আরিয়ালুর তে৷ অনীতার বয়স ২৪ ।চার বছরের কন্যা সন্তান এবং দু’বছরের পুত্র সন্তান আছে তার৷ তার স্বামী কর্মসূত্রে সিঙ্গাপুরে থাকেন।

Latest