মেয়েদের হত্যা করে মৃতদেহের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক। অতঃপর…

More articles

টোটকা24×7 নিউজ ডেস্ক: গত ৩ মাসে বর্ধমানের কালনায় পর পর ৬ নারীকে খুন করা হয়েছে। তদন্তে নামার আগে পুলিশের কাছে খবর আসতে থাকে এলাকা জুড়ে একের পর এক খুন হচ্ছে। খুনের চরিত্র মিলিয়ে দেখা যায়, প্রত্যেকটি খুনের নিশানা কোনও না কোনও মহিলা। এর পরই তৎপরতার সাথে কঠোর চেকিং শুরু করে কালনা পুলিশ। রবিবার রাতে চিরুণী তল্লাশীর সময়ই ধরা পড়ে যায় রোহমর্ষক খুনী। কামরুজ্জামান নামের এক মুসলিম ব্যক্তি, মুর্শিদাবাদ থেকে স্ত্রী, দুই ছেলে এবং এক মেয়েকে নিয়ে এসে কালনায় সংসার শুরু করেছিল। পুলিশের দাবি, মহিলাদের ওপর কোনও সুপ্ত ঘৃণা থেকেই একের পর এক খুন করে গিয়েছিল কামরুজ্জামান। প্রতিটি খুনই সে গলায় সোনার চেনের ফাঁস দিয়ে ঘটিয়েছে। কিন্তু পুলিশের চোখ কপালে ওঠে অন্য জায়গায়। কারণ, খুনের পর মৃতদেহের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়াত কামরুজ্জামান। আর মূল্যবান যা কিছু লুট করতো সেটাকে জয়ের স্মারক হিসাবে বাড়িতে রেখে দিত সে। এটাকে মানসিক রোগ বলে মনে করা হচ্ছে। আপাতভাবে শান্ত কামরুজ্জামান কীভাবে এমন একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটাতে পারে তা নিয়ে হতবাক এলাকাবাসীরা।

Latest