জীবনযাপন

খালি পেটে যেসব খাবার খেলে আপনার ওজন কমবে, জেনেনিন

খাবারের দিকটা ঠিক থাকলে সুস্থ থাকা অনেকটাই সহজ হয়। আমাদের শরীর যদি সঠিকভাবে পুষ্টি না পায় তবে অসুস্থতার ভয় থেকে যায়। বর্তমানের ব্যস্ত জীবনযাপনে আমাদের এক দণ্ড বিশ্রাম নেই যেন। খাবারের ক্ষেত্রেও থাকি উদাসীন। ক্ষুধা পেলে সামনে যা পাওয়া যায় তাই খেয়ে খুশি থাকতে হয়। এর ফলে গ্যাস্ট্রিক, হজমের সমস্যাসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রাতের খাবারের পরে আমাদের ঘুমের সময়। সকালে জেগে ওঠার মধ্যকার সময়টা অন্তত সাত-আট ঘণ্টার বিরতি। ফলে দীর্ঘ সময় আমাদের পেট খালি থাকে। তাই সকালের খাবার কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবে না। প্রতিদিন একই সময়ে সকালের নাস্তা খেতে হবে। খালি পেটে সঠিক খাবার খেতে পারলে তা সারাদিনের হজম প্রক্রিয়া সহজ ও সঠিক রাখে। সুস্থ থাকার জন্য এটি জরুরি। সকালে খালি পেটে কিছু খাবার খেলে সারাদিন সুস্থ ও সতেজ অনুভব করবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই খাবারগুলো কী-

পেঁপে খাওয়া উপকারী

আমাদের অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি দুর্দান্ত খাবার হতে পারে পেঁপে। এই ফল বারো মাসই কিনতে পাওয়া যায়। তাই সকালের খাবারে চাইলেই পেঁপে রাখা যায়। পেঁপে খালি খাওয়ার পাশাপাশি পেঁপের স্মুদি, পেঁপের জুস, পেঁপের সালাদ ইত্যাদি তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে। এটি শরীরের ভেতরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করার পাশাপাশি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। ফলে হৃদরোগ প্রতিরোধ সহজ হয়।

ডিম হতে পারে উপকারী

চিকিৎসক কিংবা বিশেষজ্ঞরা সকালে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সকালে খালি পেটে এটি হতে পারে আদর্শ খাবার। আপনি যদি সকালে একটি ডিম খেয়ে থাকেন তাহলে সারাদিন নিজেকে সুস্থ ও ক্লান্তিহীন অনুভব করবেন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা যখন সকালে খালি পেটে ডিম খাই তখন তখন মোট ক্যালোরি গ্রহণ অনেকটাই কমে যায়। ডিম ফ্যাট কমাতেও সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন সকালের নাস্তায় একটি ডিম আপনি রাখতেই পারেন!

ভেজানো বাদাম খাবেন যে কারণে

বাদামে আছে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন ই, ফাইবার, ওমেগা -৩ এবং ওমেগা -৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। উপকারী এই ফল সারা রাত ভিজিয়ে রেখে খালি পেটে খেলে মিলবে অসংখ্য উপকার। বাদামের খোসায় থাকে ট্যানিন যা শরীরে পুষ্টির শোষণকে বাধা দেয়, তাই সব সময় বাদামের খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত। প্রতিদিন সকালে ভেজানো বাদাম খেলে তা শরীরে সঠিক পুষ্টি যোগানোর পাশাপাশি মনকেও রাখে প্রফুল্ল।

খালি পেটে তরমুজও উপকারী

সকালের নাস্তার জন্য তরমুজ হতে পারে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এই ফলে প্রায় নব্বই শতাংশ জল থাকে। যা শরীরে জলশূন্যতা প্রতিরোধে কাজ করে। তরমুজ খেলে শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখা সহজ হয়। খালি পেটে তরমুজ খেলে তা ক্যালোরির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করবে। তরমুজ ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ। এতে আছে উচ্চ স্তরের লাইকোপিন। এটি আমাদের হৃৎপিণ্ড ও চোখের জন্য বেশ উপকারী।

Related Articles

Back to top button