ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত খান করলার চা!

করলা আপনার প্রিয় খাবার না হতে পারে, কিন্তু এর পুষ্টিগুণের কোনও শেষ নেই। নানাভাবে করলা খাওয়া যেতে পারে। তরকারিতে, সবজি রান্নায়, বিভিন্ন স্মুদি ও সবজির জুসের পুষ্টগুণ বাড়াতে অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন করলা। পুষ্টিবিদরা করলার উপকারিতা ভালোভাবে নেয়ার জন্য পান করতে বলেছেন করলার তিতা চা। এটি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, লিভার পরিষ্কার করে, ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ
রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে প্রাচীনকাল থেকেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার ব্যবহার হয়ে আসছে। করলার চা খেলে আপনি নিজের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

কমা রক্তের কোলেস্টেরল

এই চা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

পরিষ্কার রাখে লিভার
লিভার আপনার শরীরের ভেতরকার বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে। ফলে বদহজম রোধ করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
এই চায়ে উপস্থিত ভিটামিন সি কোনও ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে, ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

বাড়ায় দৃষ্টিশক্তি

করলা চায়ে থাকা ভিটামিন এ চোখ ভালো রাখে।

যেভাবে বানাবেন তিতা করলার চা
কিছু পরিমাণ শুকনো বা তাজা করলার টুকরো, জল এবং মিষ্টির জন্য স্বাদ মতো মধু নিন। করলা গাছের পাতাও ব্যবহার করা যায়, তবে করলা সহজলভ্য তাই করলা ব্যবহার করুন। জল ফুটিয়ে নিন, তার মধ্যে শুকনো করলার টুকরা দিয়ে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে ফোটান যাতে করলার সমস্ত গুনাগুণ জলে মিশে যায়। আঁচ থেকে নামিয়ে আরও কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। এরপর কাপে চা ছেঁকে নিন এবং মিষ্টির জন্য মধু মেশান। হয়ে গেল আপনার করলার চা। তবে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে এই চা খেলে মিষ্টি ব্যবহার করবেন না।

সতর্কতা
হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগীর ক্ষেত্রে করলার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই করলার চা আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে ব্যবহার করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Related Posts

© 2022 Totka24x7 - Theme by WPEnjoy · Powered by WordPress