দুশ্চিন্তা কমাতে যা করণীয়! দেখেনিন কিছু কার্যকরী টিপস

দুশ্চিন্তা একজন মানুষকে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি স্বাস্থ্যের উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কিছু কৌশল রয়েছে যেগুলো দুশ্চিন্তা দূর করতে সাহায্য করে এবং মনকে স্থির রাখে। আসুন জেনে নেই দুশ্চিন্তা দূর করার কিছু উপায়-

* লক্ষ্য ঠিক করুন:

যে কোনো কিছু করার আগে লক্ষ্য ঠিক করে নিন। লক্ষ্য নির্ধারণ করা থাকলে ওই কাজেই মনোযোগ থাকে। কেন কাজটি করছেন সেটা মনে করিয়ে দেয়। ফলে আপনার দুশ্চিন্তার মাত্রা কমবে।

* মেডিটেশন:

মেডিটেশন করলে মন শান্ত থাকে। আর এর জন্য বিশাল অর্থ খরচ করে কোনো ক্লাস করার প্রয়োজন নেই। অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের মেডিটেশন গাইড পাওয়া যায়। কয়েকটি পদ্ধতি ডাউনলোড করে নিন। নিজেই অনুশীলন শুরু করে দিন।

* ডুডল বা কালার:

সময় পেলেই কোনো সৃজনশীল কাজে মনোযোগ দিন। আঁকা আঁকি করা বা কোনো কিছু নিয়ে খেয়ালিপনা করে সময় নষ্ট করলে মানসিক চাপ কমে যায়। এক্ষেত্রে কালারিং থেরাপি আজকাল বেশি জনপ্রিয়।

* হাঁটতে যাওয়া:

দুশ্চিন্তা দূর করার চমৎকার উপায় হলো হাঁটাহাঁটি করা। চারপাশের কোলাহল আর শীতল বাতাসের পরশ আপনার দুশ্চিন্তা ভুলিয়ে দেবে।

* কাজের বিরতি:

কাজের একটা তালিকা তৈরি করে নিন। সময়কে ভাগ করে তালিকাভুক্ত করে নিন। নতুন কোনো কাজ করার আগে ৫ মিনিট বিরতি নিন। আপনি কী করতে যাচ্ছেন সেটার দিকে পুরোপুরি মনোযোগ দিন।

* ফোন দূরে রাখুন:

সব জায়গাতেই ফোন নিয়ে যেতে হবে এমন নয়। বাথরুমে যাওয়া বা হাঁটতে গেলে ফোন রুমে রেখে যান। এমনকি খাওয়ার সময়ও ফোন নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কোনো মানে হয় না।

* গৃহস্থলীর কাজ করা:

মানসিক চাপমুক্ত থাকার ভালো উপায় হচ্ছে গৃহস্থালির টুকিটাকি কাজ করা। মানসিক প্রশান্তির জন্য ঘরের বিভিন্ন ধরনের টুকিটাকি কাজ করুন।

* সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থাকা:

খুব বেশি সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকার প্রয়োজন নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দুশ্চিন্তা বাড়ানোর জন্য কিছুটা দায়ী। এটি আপনার সৃজনশীলতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

* প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো:

সবসময়ই প্রিয়জনদের সঙ্গে থাকতে হবে এমন নয়। ভালো কিছু সময় পরিবার এবং বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে কাটাতে পারেন। দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করবে। সবাই মিলে বাইরে খেতে যাওয়া বা কিছু সময় বাড়িতে একসঙ্গে কাটানো, এগুলো সহজাতভাবে মানসিক চাপ কমায়।

* গান শোনা:

গান শুনলে দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকা যায়। গান মনকে প্রফুল্ল রাখে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ভালো কোনো গান শুনুন, অন্যরকম অনুভূতি কাজ করবে।

Related Posts

© 2022 Totka24x7 - Theme by WPEnjoy · Powered by WordPress