ঘুমের রুটিনই বলে দেবে আপনি কেমন সভাবের মানুষ দেখেনিন

রাতের সময়টুকু আমাদের প্রয়োজনীয় বিশ্রামের। ভালো একটি ঘুমের মাধ্যমে সতেজ হওয়া। পরদিন কাজের শক্তি সংগ্রহ করা। কিন্তু রাতে ঘুমাতে যাওয়ার রুটিন একেক জনের একেক রকম। কেউ আগেভাগে ঘুমিয়ে আবার আগেভাগেই জেগে ওঠেন। কেউ বা ঘুমাতেই যান অর্ধেক রাত্রি পার করে।

জানেন কি, আপনি কখন ঘুমাতে যান তা দেখেই বলে দেওয়া সম্ভব আপনি কেমন মনের মানুষ! বিশ্বাস হচ্ছে না? মিলিয়ে নিন-

৮টা-১০টা: রাতের ঘুমটুকু আপনার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তাই সন্ধ্যার পরপরই খাওয়ার পাট চুকিয়ে ঠিক দশটার মধ্যেই ঘুমিয়ে যান। পরের দিন সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার তাড়া না থাকলেও আপনি নির্দিষ্ট সময়েই ঘুমাতে যান। আপনি নিয়মমাফিক চলতে ভালোবাসেন এবং স্বাস্থ্য রক্ষা সম্পর্কে সজাগ। তবে সব সময় ঘড়ির কাঁটা মেনে চলবেন না। মাঝে মাঝে একটু অন্যরকম ভাবেও কাটানো ভালো।

১০টা-১১টা: এটিই আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের ঘুমাতে যাওয়ার রুটিন। যদি আপনিও এই দলের হন আপনি কঠিন পরিশ্রম করেন এবং সারাদিনের শেষে ক্লান্ত থাকেন। রাতে ভালো ঘুম আপনার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে খুব বেশি নিয়মকানুনের বেড়াজালে নিজেকে বেঁধে রাখতে আপনি পছন্দ করেন না। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন পছন্দ করলেও জীবনের আনন্দও আপনি উপভোগ করতে ভালোবাসেন।

১২টা-২টা: আপনার ঘুমাতে যাওয়ার সময়টা যদি হয় রাত ১২টা-২টা, তবে আপনি প্যাঁচা প্রকৃতির। অর্থাৎ রাত বাড়লেই কেবল আপনি সজাগ ও সচল হতে পারেন। চারপাশ যখন অন্ধকার ও নিশ্চ‍ুপ হয়ে যায়, তখনই আপনার মধ্যে সৃজনশীলতা জাগরিত হয়। সারা বিশ্বে অনেক ক্রিয়েটিভ মানুষই রাত জেগে কাজ করতে ভালোবাসেন। তবে আপনি সহজেই ভয় পেয়ে যান। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সাধারণত যারা দেরি করে রাতে ঘুমান, তারা ভীতু প্রকৃতির হন।

২টা-৪টা: নিজেকে কোনো ধরা-বাঁধা রুটিনে আপনি বেঁধে রাখতে পারেন না। আপনি আক্ষরিক অর্থেই মুক্ত বিহঙ্গ। জীবনে উত্তেজনা ও অ্যাডভেঞ্চার আপনার প্রিয়। প্রেমের ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্যাশনেট হলেও খুব বেশিদিন কোনো সম্পর্কই আপনার টেকে না।

Related Posts

© 2022 Totka24x7 - Theme by WPEnjoy · Powered by WordPress