April 14, 2024 | 7:53 PM

রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে ব্যবহার হয় তেজপাতা। এর বাইরেও তেজপাতার রয়েছে অসংখ্য গুণ। এটি ব্যবহারে মেলে অসংখ্য উপকার। বিভিন্ন অসুখ-বিসুখে তেজপাতার ব্যবহারে নিরাময় সম্ভব। চলুন জেনে নেই।

অনেক সময় প্রস্রাবের রঙ রক্তবর্ণ হয়। সেক্ষেত্রে তেজপাতা ২-৩ কাপ গরম জলেতে ২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ছেঁকে ২-৩ ঘণ্টা অন্তর এই জল খেলে প্রস্রাবের রঙ সাদা হয়ে যাবে।

তেজপাতা কুচিয়ে, থেঁতো করে ২ কাপ গরম জলেতে ১০-১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ছেঁকে নিয়ে দুবার করে দুই সপ্তাহ খেলে শরীরে শক্তি আসে, লাবণ্য ফিরে আসে।

দাদ হলে তেজপাতা থেঁতো করে ৪ কাপ জলেতে সেদ্ধ করে, সেই জল সকাল ও বিকেল খেতে হবে। ৪-৫ সপ্তাহ খেলেই দাদ-হাজা-চুলকানি সেরে যাবে। এছাড়া ওই জল তুলোয় ভিজিয়ে দাদের জায়গায় দিয়ে মুছে নিলেও কাজ হয়।

সর্দিতে গলা বুজে যায় অনেকেরই। সেই সময় জোরে জোরে কথা বললে বা চিৎকার করলে গলা ভেঙে যায়। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে তেজপাতা থেঁতো করে ৩-৪ বার একটু করে খেলেই হবে।

তেজপাতা ত্বক পরিষ্কারের জন্য খুব ভালো। তেজপাতাকে চন্দনের মতো বেটে, গোসলের আগে গায়ে মেখে ঘণ্টা খানেক রাখুন। এরপর স্নান করে নিলে ময়লা উঠে যায়। এছাড়া যাদের গায়ে দুর্গন্ধ থাকে, তাদের সেই সমস্যাও দূর হয়ে যায়।

তেজপাতা সেদ্ধ করে ছেঁকে ওই জল কুলকুচি করলে মুখের অরুচি কেটে যায়।

ফোঁড়া হলে যদি খুব যন্ত্রণা হয়, শক্ত হয়ে যায়, তবে এই অবস্থায় তেজপাতা বেটে ২-৩ বার প্রলেপ দিলে যন্ত্রণা কমে যাবে।

যাদের অতিরিক্ত ঘাম হয়, তারা প্রতিদিন একবার করে তেজপাতা বাটা মেখে আধঘণ্টা থাকার পর গোসল করে নিলে বেশি ঘাম হওয়া কমে যাবে। এভাবে সাত দিন করতে হবে।