জীবনযাপন

বাড়ছে পোকামাকড়ের উপদ্রব, ঘরোয়া পদ্ধতির মাধ্যমে প্রতিকার জানুন

বাড়িতে পোকামাকড়ের উপদ্রব? সেগুলো দূর করার জন্য একাধিক ওষুধ বাজারে রয়েছে। ভাল কাজও করে। কিন্তু তা কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি। ফলে মানুষের শরীরেও তার প্রভাব পড়ে। সরাসরি না হলেও নিশ্বাসের মধ্যে দিয়ে শরীরে ঢুকে যায় সেই বিষ। তার থেকে যদি ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করা যায়, তাহলে ক্ষতির সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে। রইল তারই কিছু সুলুকসন্ধান।

পিঁপড়ে

শশা টুকরো করে কেটে রান্নাঘরে ঢোকার পথে রেখে দিন।
সাবান জল গুলে তা ঘরের মধ্যে স্প্রে করে দিতে পারেন।
মিন্ট পাতা গুঁড়োও পিঁপড়েকে প্রতিরোধ করে।
পিঁপড়ের বংশ নির্বংশ করতে হলে এক লিটার জলে এক চামচ বোরাক্স ও এক কাপ চিনি মেশান। খানিকটা তুলোর মধ্যে ওই মিশ্রণ মিশিয়ে একটি ছিদ্রযুক্ত পাত্রে ভরে রাখুন। গন্ধে পিঁপড়েরা আসবে এবং মুখ দেওয়া মাত্রই মরে যাবে।

আরশোলা

সবচেয়ে ভাল উপায় হল রান্নাঘর সবসময় পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখুন।
পিঁপড়ে দূর করার জন্য যেমন শশা কেটে রাখতে পারেন, এক্ষেত্রেও ওই পদ্ধতি ভাল কাজ দেয়।
সরাসরি সাবান জল আরশোলার উপর প্রয়োগ করুন। এতে আরশোলা সঙ্গে সঙ্গে মরে যায়।
যেখানে যেখানে আরশোলা আসে সেই জায়গাগুলোয় বোরিক অ্যাসিড পাউডার, চিনি, কর্নমিল মিশিয়ে রেখে দিন।
মশা

বাড়িতে কখনও জল জমতে দেবেন না।
একভাগ আদার রসের সঙ্গে পাঁচভাগ জল মিশিয়ে স্প্রে করুন। আদার রস স্প্রে করলে মশা আসে না।
ত্বকে নিম তেল মাখুন। মশা কমড়াতে পারবে না।

মাছি

এক্ষেত্রেও বাড়ি পরিষ্কার রাখা জরুরি।
যেখানে মাছির সমস্যা বেশি সেখানে ইউক্যালিপটাস তেলে ভেজানো তুলো রেখে দিন। মাছি আসবে না।
নর্দমা যখনই পরিষ্কার করবেন, ফুটন্ত জল আর ব্লিচিং পাউডার দিয়ে করুন।

টিকটিকি

বাড়িতে ডিমের ফাঁকা খোলা ঝুলিয়ে রাখুন। এর গন্ধ টিকটিকিকে দূরে রাখে।
কাটা পেঁয়াজও টিকটিকিকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
ময়ুরের পালক বাড়িতে থাকলে টিকটিকি আসে না।

Related Articles

Back to top button