জীবনযাপন

অনেকেই সন্তানের উচ্চতা নিয়ে চিন্তিত থাকে! এই চিন্তা দূর করতে খাদ্য তালিকায় রাখুন এই খাবার গুলি

সন্তানের উচ্চতা ঠিকমতো না বাড়লে সব বাবা মায়েরই তা নিয়ে চিন্তা হয়। পুষ্টিতে ঘাটতি থেকে গেলে উচ্চতা ঠিকমতো বাড়তে চায় না। জেনে নিন সন্তানের উচ্চতা বাড়ানোর জন্য তাদের খাদ্যতালিকায় কোন কোন খাবার অবশ্যই রাখা জরুরি।

সয়াবিনে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, যা বাচ্চাদের কোষ ও হাড় গঠনে সাহায্য করে। এর ফলে বাচ্চারা লম্বা হতে পারে।

দুধে সবচেয়ে বেশি ক্যালশিয়াম থাকে, যা হাড় মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়াও প্রোটিনেরও উল্লেখযোগ্য উৎস দুধ। কোষ বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে প্রোটিন। তাই বাচ্চাদের প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করানো উচিত। দুধ ছাড়াও, পনির, দই, চিজে ভিটামিন এ, বি, ডি এবং ই-র পাশাপাশি প্রোটিন, ক্যালশিয়ামে সমৃদ্ধ। এ সমস্ত উপাদান বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

হাড় ও মাংসপেশী বৃদ্ধি এবং মজবুত করতে উপযোগী ভূমিকা পালন করে মাংস। প্রোটিন ও নানান পুষ্টিকর উপাদানে সমৃদ্ধ মাংস, যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাচ্চাদের উচ্চতা বাড়িয়ে থাকে।

মেথি, পালং শাক, বাধাকপির মতো পাতাযুক্ত সবজি ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ক্যালশিয়াম, আয়রন ও ম্যাগ্নেশিয়ামে ভরপুর। এটি শরীরে পুষ্টিকর উপাদানের জোগানের পাশাপাশি বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে।

স্যালমন মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে ওমেগা ৩। তার পাশাপাশি শারীরিক বিকাশেও এটি উপকারী। বিশেষজ্ঞদের মতে ওমেগা ৩ হাড় মজবুত করার পাশাপাশি বাচ্চাদের ঘুমের সমস্যাও দূর করে। তাই বাচ্চাদের খাদ্য তালিকায় স্যালমন মাছ অন্তর্ভূক্ত করা উচিত।

প্রোটিনে সমৃদ্ধ ডিমকে নিউট্রিশনের পাওয়ার হাউসও বলা হয়। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী প্রতিদিন দুটি করে ডিম খেলে বাচ্চাদের উচ্চতা বাড়ানো যায়। ডিমের হলুদ অংশে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বর্তমান, যা বাচ্চাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটিয়ে থাকে।

ভিটামিন এ-তে সমৃদ্ধ লাল আলু হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এতে দ্রাব্য ও অদ্রাব্য ফ্যাট থাকে, যা পাচন তন্ত্রকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি অন্ত্রে ভালো ব্যাক্টিরিয়া গড়ে তুলতেও সাহায্য করে। ভিটামিন সি, ম্যাগনিজ, ভিটামিন বি৬, পটাশিয়ামের ভালো উৎস লাল আলু। এটি বাচ্চাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করে থাকে।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকিও বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ করে আমলকি।

ওটসে ভিটামিন বি, ই, পটাশিয়াম ও জিঙ্ক থাকে। এটি বাচ্চাদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা বাচ্চাদের পাচন তন্ত্রকে সঠিক রাখে। পাশাপাশি এতে উপস্থিত প্রোটিন বাচ্চাদের উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

Related Articles

Back to top button