ভাইরাস ইনফেকশন দূর হবে খুব সহজে। বিস্তারিত পড়ুন

More articles

মওসুম বদলের সময়ে ঘরে ঘরে হানা দেয় ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। যার প্রকোপে জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভোগেন অনেকেই। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাদের কম তারাই আক্রান্ত হন এই ভাইরাসে। তবে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে ইনফ্লুয়েঞ্জা-হানা থেকে বাঁচার সম্ভাবনা থাকে। তাতে হয়তো রোগের হাত থেকে একেবারে পার পাবেন না, তবে সাবধানতা নিলে ভোগান্তি কম হবে।

কী কী করলে ভাইরাস আক্রমণকে প্রাথমিকভাবে ঠেকানো সম্ভব—

• খাওয়া-দাওয়া আর ঘুমের সঙ্গে কোন রকম আপস করা যাবে না এই সময়টায়। শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে হলে হালকা ব্যায়াম করাটা
জরুরি। অন্তত সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা এবং ঘরে হাঁটাচলা স্বাভাবিক রাখতে হবে।

• সারাবছর তো আছেই, মওসুম পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি হলে মাস্কে মুখ ঢেকে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। দূষিত বাতাস থেকে অ্যালার্জি হলে সর্দি-কাশি আরও বাড়তে পারে। তাই বাইরে বেরোলে অবশ্যই মাস্ক পরুন। তবে মাস্ক ব্যবহার করলে যদি একান্তই সমস্যা হয়, তাহলে টিস্যু পেপার বা ন্যাপকিন সঙ্গে রাখুন।

• কাশির মাধ্যমে কিন্তু জীবাণু  হু হু করে ছড়ায়। তাই যখনই কাশি হবে, ন্যাপকিন দিয়ে মুখ তো ঢাকবেনই, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কাশির সিরাপ খান। অফিসে কারও সর্দি-কাশি হলে দূরত্ব বজায় রাখুন।

• সারাদিন বাড়িতে বসে থাকা সম্ভব নয়। তাই বাইরে বেরোলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখুন। আপনি যে সিটে বসছেন, যে কম্পিউটার ব্যবহার করছেন, যে ফোন ব্যবহার করছেন— সব কিছুতেই জীবাণু জড়িয়ে আছে। তাই সেসব প্রতিদিন পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করতে হবে। আর বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে ভাল করে হাত-মুখ ধুয়ে ফেলুন।

• এর পরেও যদি কোন ভাইরাস আক্রমণের মুখোমুখি হন, তবে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যতক্ষণে না সুস্থ হচ্ছেন বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নিন। এই সময়টায় যত কম মানুষের সংস্পর্শে আসবেন ততই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল।

Latest